গিয়ার আর ট্রিগার আলাদা
উপরের সিলেক্টর, ট্রিগার ও থামার চিহ্ন।
1. যান্ত্রিক রেঞ্জ
শুরুর আগে 1 বা 2 পুরো বসান।
2. ট্রিগারের চাপ
বাছা রেঞ্জের মধ্যেই গতি বদলায়।
3. বদলাতে থামুন
পুরো থামলে গিয়ার সরান।
অবস্থানের ছবি, ভেতরের গিয়ার বা গতির মাপ নয়।
প্রতিটি নিয়ন্ত্রণের আলাদা কাজ
যান্ত্রিক সিলেক্টর ট্রান্সমিশনের রেঞ্জ বেছে দেয়। ট্রিগার সেই রেঞ্জের মধ্যে গতি বাড়ায়-কমায়। Milwaukee 3403/3404-এর উপরের সিলেক্টরে 1 মানে কম, 2 মানে বেশি গতির গিয়ার। দ্বিতীয় গিয়ারে ট্রিগার অল্প চাপলে প্রথম গিয়ার হয়ে যায় না; ট্রান্সমিশন তখনও উচ্চ রেঞ্জে থাকে।
কম গতিতে বেশি চাপের কাজে উপযুক্ত গিয়ার দরকার, দ্বিতীয় গিয়ারে দীর্ঘক্ষণ ট্রিগার অল্প চেপে প্রতিরোধের বিরুদ্ধে ঠেলা নয়। দিকের সুইচ সামনে, পেছনে ও মাঝের লক নিয়ন্ত্রণ করে। ক্লাচ রিং স্ক্রু চালানোর সময় ছেড়ে দেওয়ার মাত্রা ঠিক করে। কোনোটিই গিয়ার সিলেক্টরের বিকল্প নয়।
কাজ দেখে গিয়ার বাছুন
আগে নিশ্চিত করুন উপাদান, বিট ও ছিদ্রের মাপ ড্রিল ও আনুষঙ্গিক অংশের সীমার মধ্যে। বড় কাটার থেকে বেশি প্রতিক্রিয়া টর্ক আসতে পারে; প্রথম গিয়ার বাছলেই যে-কোনো হোল স উপযুক্ত হয়ে যায় না।
- স্ক্রু চালানো এবং কম গতি ও বেশি চালনাশক্তির কাজে প্রথম গিয়ার বিবেচনা করুন। তারপর স্ক্রু ও উপাদান অনুযায়ী ক্লাচ ঠিক করুন।
- উপযুক্ত দ্রুত ড্রিলিংয়ে দ্বিতীয় গিয়ার বিবেচনা করা যায়, তবে বিটের উপাদান ও গতির নির্দেশ মানতে হবে। ছোট বিট মানেই পুরো গতি নয়।
- শক্ত উপাদান, বড় ছিদ্র বা আটকে যাওয়ার প্রবণতা থাকা কাটারে গতি, ক্ষমতা ও ধরে রাখার ব্যবস্থা আবার দেখুন। শরীর দিয়ে বাড়তি চাপ ভুল সেটিং ঠিক করে না।
সব ছিদ্রের জন্য এক গিয়ার নেই। একই ধরনের ভালোভাবে আটকানো বাড়তি টুকরোয় পরীক্ষা করুন এবং স্থিরভাবে কাটছে কি না দেখুন; মোটরের শব্দ কত জোরে, তা মানদণ্ড নয়।
পুরো থামিয়ে সিলেক্টর বসান
ট্রিগার ছেড়ে চাক ও বিট সম্পূর্ণ থামতে দিন। উপরের সিলেক্টর সরিয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যা দেখান: কম গতির জন্য 1, বেশি গতির জন্য 2। দুই অবস্থানের মাঝখানে রাখবেন না বা ঘোরার সময় বদলাবেন না।
স্বাভাবিকভাবে না বসলে আঘাত বা জোর করবেন না, ওয়ার্কপিসে বিট লাগিয়ে মোটর চালিয়ে বসানোর চেষ্টা করবেন না। প্রস্তুতি থামিয়ে ঘোরা বন্ধ হয়েছে এবং বাইরে ময়লা সুইচ আটকাচ্ছে না, তা দেখুন। অবস্থান বাছতে বা ধরে রাখতে না পারলে পরীক্ষামূলক ড্রিলিংয়ের আগেই সার্ভিস দরকার।
বিট বদলানো বা ঠিক করার সময় ব্যাটারি খুলুন। কোনো গিয়ার বাছা থাকা অনিচ্ছাকৃত চালু হওয়ার লক নয়।
কাঠের স্ক্রু দিয়ে পুরো ক্রমটি বুঝুন
আটকানো কাঠে সাধারণ স্ক্রুর জন্য খাঁজে ঠিকমতো মেলা বিট নিন এবং কাঠ ও স্ক্রুর প্রয়োজনমতো পাইলট হোল করুন। এটি ভারবাহী সংযোগের নকশা নয়।
- বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রেখে বিট বসান। যন্ত্র থামানো অবস্থায় প্রথম গিয়ার ও কম স্ক্রু-ক্লাচ সেটিং নিন।
- সামনের দিকের সেটিং নিশ্চিত করুন, বিট-স্ক্রু একই অক্ষে রাখুন ও কাজ ক্ল্যাম্প করুন। হাত পিছলে যাওয়ার পথ থেকে সরান। প্রস্তুতি পরীক্ষা শেষে ট্রিগার থেকে আঙুল সরিয়ে যন্ত্রের নিয়মমতো সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যাটারি লাগিয়ে ভালোভাবে লক হয়েছে নিশ্চিত করুন।
- ধীরে ট্রিগার চেপে স্থিরভাবে শুরু করুন, প্রয়োজনমতো চাপ বাড়ান। শুরুতেই পুরো ট্রিগার নয়।
- মাথা পৃষ্ঠের কাছে এলে চাপ কমান। ক্লাচ বদলানোর আগে ট্রিগার ছেড়ে থামুন।
- আটকে গেলে, গা ঘুরে গেলে বা গতি হঠাৎ কমলে সঙ্গে সঙ্গে ট্রিগার ছাড়ুন। পাইলট হোল, বিট, স্ক্রু বা লোড দেখুন; দ্বিতীয় গিয়ার আটকে থাকা ছাড়ানোর উপায় নয়।
শেষে ট্রিগার ছেড়ে বিট পুরো থামলে ড্রিল রাখুন। গিয়ার কাজের আগে রেঞ্জ ঠিক করে; ট্রিগার কাজ চলাকালে শুরু, গতি ও থামা নিয়ন্ত্রণ করে।